Beaut y parlour
বাংলাদেশে গারো আদিবাসী স¤প্রদায় বাস করে বৃহত্তর ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, সিলেট, জামালপুর এবং শেরপুর জেলায়। তাদের প্রকৃতির সাথে জন্ম এবং প্রকৃতির সাথে একান্ত পরিচয়। তারা জীবন নির্বাহ করে কৃষি কাজ এবং জুম চাষ করে। তারা মাতৃতাšতৃক আদিবাসী স¤প্রদায়। তাদের সংস্কৃতি উন্মুক্ত ও খুবই সমৃদ্ধ। কোন এক সময় গারো সম্প্রদায়ের অঢেল সম্পত্তি ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্বাসন এবং প্রতারণার শিকার হয়ে তারা নিঃসম্পতি হয়ে পরেছে। আনেকে খুব সল্প দামে জমি বিক্রি করে দিয়েছে। দারিদ্র মোকাবেলা করার জন্য তারা ভিবিন্ন কাজ করতে থাকে। তাদের মধ্যে বিউটি পার্লারে চাকরি অন্যতম ্এবং এ চাকরিকে দরিদ্র মোকাবেলার হাতিয়ার হিসাবে গ্রহণ করেছে।
মান্দিদের ঢাকা শহরে অভিবাসন:
মান্দিরা ঢাকা শহরে আগমন করে ৭০ দশকের শেষের দিকে এবং ৮০ দশকের প্রথম দিকে। দরিদ্রতার তারনায় কাজের সন্ধানে তারা ঢাকা শহরে আসে। প্রথমে তারা কাজ করতে শুরু করে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে। ঢাকা শহরে মান্দিদের আগমন হয় মূলত কাজের সন্ধানে। বর্তমানে ঢাকা শহরে কাজ করা ব্যাতিত অনেক ছাত্রছাত্রী লেখাপরড়া করতে ঢাকা শহরে অবস্থান করছে। তারা উন্নত জীবন যাপনের জন্য এবং দারিদ্র্যের তারনায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় কাজের সন্ধানে অভিবাসিত হয় একই সাথে বিভিন্ন পেশায় কাজ করে। গারো আদিবাসী বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে তাদের মধ্যে অন্যতম জায়গা হল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহর এবং বিভিন্ন পেশা/কাজের মধ্যে বিউটি পার্লারে কাজ করে অধিকাংশ গারো আদিবাসী মেয়েরা। তারা বিউটি পার্লারে কাজ করে গারো স¤প্রদায়ের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূয়সী ও প্রশংসনীয় গুরুত্বপূর্ল ভূমিকা পালন করছে। ঢাকা শহরের সব পার্লারেই গারো আদিবাসী মেয়েরা কাজ করে। আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি গারোদের অর্থনৈতিক পুর্ণউদ্ধার, জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন, শিক্ষার হার বৃদ্ধি ও দারিদ্র বিমোচনে, যারা বিউটি পার্লারে কাজ করে, তাদের অবদান অন্যতম। তাই বিউটিশিয়ান হিসাবে তাদের গর্ববোধ করা উচিত এবং তারা সবার প্রশংসা পাবার যোগ্য অধিকারী।
বিউটি পার্লার:
বিউটি পার্লার হল রুপচর্চা করার একটি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান যেখানে চিকিৎসা ও নিয়ম তান্তিক পদ্ধতিতে রুপচর্চা করতে সহায়তা করে। বিউটি পার্লারে কেশের যতœ, নকের যতœ, ত্বকের যতœ, বডি ম্যাসেজ, হেয়ার স্টাইল, ব্র“য়িই, ফেশিয়াল ও হেয়ার কাটিং ইত্যাদি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যতœ নিতে নির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়। রুপ চর্চা হল একটি আর্ট/ কলা এবং রূপচর্চা সৌন্দয্য বিদ্যার একটি অংশ। বেশী পরিমাণ কসমেটিক দ্রব্যসামগ্রী প্রয়োগ ও ব্যবহার করলেই রুপচর্চা হয় না। রুপচর্চার জন্য নিদির্ষ্ট নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয় এবং কিছু কিছু খাদ্য নিয়š্র—ণও করতে হয়। এসবই নিদের্শনা দেয় বিউটিশায়ানরা। তাহলে বলা যায় যে বিউটি পালারে রুপচর্চার সঠিক নিদের্শনা, নিয়মকানুন এমনকি চিকিৎসার পরামর্শ দেয়।
বিভিন্ন স্টাইলে চুল কাটিং:
ইউ কাট; ভি কাট; লেয়ার কাট; স্টেপ কাট; স্পেশিয়াল কাট: ভলিওম কাট; আনইভেন কাট; ববস কাট; ইমু কাট; টারকি কাট; বয় বাট; ডাইনা কাট; রাহুল কাট; মাশরুম কাট; এবং রাউড কাট। আই ব্র“য়িই: ফুল ফেসিং; আপার লিপ; চিন; ফোরহেড ও লরিপ।
মেক আপ: নরমাল; লাইট; পার্টি; বেবি; ব্র াইডাল; মেহেদি, আলপনা; শাড়ি পড়ানো, মৎস কন্যা; গায়ে হলুদ; চুল আইরন করা; চুল কালার করা, রিবন্ডিং করা এসব কাজ মেক আপ সেকশনে পড়ে।
বিউটি পার্লারের ইতিহাস:
জিরিয়াব নয় শতকে প্রথম বিউটি পার্লার শুরু করেন মহিলাদের জন্য স্পেনের তখনকার রাজধানীতে করদোতে। তিনি প্রথম মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের কেশ বিন্নাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। তখনকার দিনে এটাকে একটাকে সাহসের বিষয় হিসাবে বিবেচনা করা হত। তখনকার দিনে স্পেনের মহিলারা মাঝখানে সিঁথি দিত, কান চুল দিয়ে ঢাকা রাখত এবং পিছনে লম্বা চুলের কোপা রাখত। তিনিই প্রথম সামগ্রিকভাবে কিভাবে রুপ চর্চা করতে হয় তা পরিচয় করিয়ে দেন।
বাংলাদেশে বিউটি পার্লারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
বাংলাদেশে কখন কোথায় পার্লার শুরু হয়েছে তার সঠিক ইতিহাস জানা নেই তবে মানুষের মুখে মুখে শোনা যায় যে, ৭০ দশকের শেষে এবং ৮০ এর দশকের শুরুতে প্রথমে চায়নিজ লি, থাই, পার্লার চালু করেন বাংলাদেশে। তবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিউটি পার্লার থাকতে না পারে, কিন্তু বাংলার মানুষ বাড়িতে নিজে নিজে রূপ র্চচা করত। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজধানীতে অত্র তত্র বিউটি পার্লার দেখা যায়। এই সব বিউটি পার্লার এখন স্বদেশীয় উদ্যোক্তা দ্বারা পরিচালিত। বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তার অন্যতম সৃজনশীল চিন্তা হল বিউটি পার্লার এবং নারীদের জন্য কর্ম সংস’ান এবং আত্মকর্মসংস্থান। বাংলাদেশর সব ক’টি বিউটি পার্র্র্লারেই মান্দি মেয়েরা পেশাজীবি হিসাবে কাজ করছে।
বিউটি পার্লারের কাজ সমূহ:
বিউটি পালারের কাজ বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। সাধাণত তাদের কাজ হল চুল কাটা, চুল ড্রেসিং করা, চুল স্টাইল করা চুল আইরন করা, মেক আপ করা, ফেশিয়াল করা, চুল শেম্পু করা ও চুল পরিষ্কার করা, হাতের ও পায়ের নক যতেœর নিদের্শনা দেওয়া, ব্র“য়িই করা, বৌ সাজান, হাতে মেহেদি আল্পনা করা, হেয়ার রিমোভাল, স্কিন কালার। অনেক পার্লারে বডি ম্যাসাজ থেরাপি দিয়ে থাকে। অনান্য কাজের তুলনায় পার্লারের কাজ তুলনামুলক সহজ ও আরাম দায়ক বলা চলে । তবে বিউটিশিয়ানদের বিশেষ বিশেষ দিনে ১২ ঘন্টার মত কাজ করতে হয়। কিন্তু বাড়তি কাজের জন্য তাদের কোন সম্মানী দেওয়া হয় না। পরিশ্রমের দিক থেকে তাদের শ্রমের মূল্য যথাযথ দেওয়া হয় না।
বিভিন্ন স্টাইলে চুল কাটিং:
ইউ কাট; ভি কাট; লেয়ার কাট; স্টেপ কাট; স্পেশিয়াল কাট: ভলিওম কাট; আনইভেন কাট; ববস কাট; ইমু কাট; টারকি কাট; বয় বাট; ডাইনা কাট; রাহুল কাট; মাশরুম কাট; এবং রাউড কাট। আই ব্র“য়িই: ফুল ফেসিং; আপার লিপ; চিন; ফোরহেড ও লরিপ।
মেক আপ: নরমাল; লাইট; পার্টি; বেবি; ব্র াইডাল; মেহেদি, আলপনা; শাড়ি পড়ানো, মৎস কন্যা; গায়ে হলুদ; চুল আইরন করা; চুল কালার করা, রিবন্ডিং করা এসব কাজ মেক আপ সেকশনে পড়ে।
ট্রিটমেট: হেয়ার ট্রিট; চুল পড়া; খুশকি; চুল রাফ; শাইনিং; মেনিকিওর; পিডিকিওর, স্পা: ফেশিয়াল; এ্যারোমা অয়েল ইত্যাদি কাজ ট্রিটমেট সেকশনে পড়ে।
বিউটি পার্লারের কাজের যোগ্যতা এবং সম্মানী :
বিউটি পার্লারে কাজ করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার গুরুত্ব অপরিসীম তবে বিউটি পার্লারে কাজ করার জন্য কাজের দক্ষতার উপর বেশী নির্ভর করে। যারা বিউটি পার্লারে কাজ করে তাদের অধিকাংশই উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যন্ত লেখাপরা করেছে । আনেক বিউটিশিয়ান নিরক্ষর কিন্তু কাজে দক্ষ। আবার যারা উচ্চ শিক্ষিত তারা বিউটি পার্লারে হিসাব রক্ষক হিসাবে কাজ করছে। সুনামধন্য বিউটি পার্লারে ব্যবস্থাপনার কাজ করতে হলে মাস্টারস পাস করতে হয়। বিউটি পার্লারে সাধারণ কাজ করার জন্য র্নিদিষ্ট কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার যাচাই করা হয় না তবে কাজের দক্ষতার যাচাই করা হয়। তাদের মাসিক সম্মানীও তাদের কাজের দক্ষতার উপর নির্ভর করে। যারা পার্লারে প্রথম অবস্থায় বা ট্রেইনিং অবস্থায় কাজ করে তাদের মাসিক সম্মানী শুরু হয় ১০০০ থেকে ১৫০০ এর মধ্যে। যারা কাজে খুবই দক্ষ ও অভিজ্ঞ তাদের মাসিক সম্মানী ৪০,০০০ পর্যন্ত দেওয়া হয়। যাদের বড় অংকের সম্মানী দেওয়া হয় তারা সাধারনত বাংলাদেশের সুনামধন্য বিউটি পার্লারে কাজ করে (যেমন. পারসনা, ইউমেন ওর্য়াল্ড, ব্লিস, লি ইত্যাদি)।
বিউটি পার্লারে কাজ করে মান্দি মেয়েদের সাফল্য অর্জন:
পার্লারে যারা কাজ করে অর্থনৈতিক দিক থেকে সব মান্দি মেয়েরা সাফল্য অর্জন করছে। অনেক পরিবার আছে যে, তাদের উপর পরিবার নির্ভর করে এবং পরিবারের প্রধান আর্থিক উৎস। পার্লারে কাজ করে মান্দি মেয়েরা মান্দিদের অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক সামনে নিয়ে গেছে। পার্লারে কাজ করে তাদের সাফল্যের ইতিবাজক দিক গুলো নিম্নরুপ
অর্থনৈতিক উন্নয়ন:
অনেক মান্দি মেয়েরা আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে লেখাপড়া করতে পারেনি তাই র্পালারে কাজ করতে আসে। পালারে কাজ করে অনেকেই তাদের বন্ধকি জমি পূর্ণউদ্ধার করছে, অনেকে বন্ধকি জমি কিনছে। আনেকে হাফ বিল্ডিং ও টিনের ঘর বানিয়েছে। তারা ছোট ভাই বোনদের লেখাপড়া করতে সহায়তা দিচ্ছে। আগে অনেকে দিন মজুরি করে জীবন যাপন করত । প্রতিদিন দিন মজুরি না করলে উপোস থাকতে হত। নুন আনতে পান্তা ফুরাই এই অবস্থা ছিল। বর্তমানে যারা পার্লারে কাজ করে তারা সবাই আর্থিক দিক থেকে সচ্ছল।
দরিদ্র বিমোচন:
মান্দিরা দরিদ্রতার শিকার । অনেক পরিবার ছিল দরিদ্রতার সীমার নিছে জীবন যাপন করছিল। এমনও পরিবার ছিল যারা প্রতিদিন কাজ না করলে একবেলার খাবার খেতে পারতনা। পার্লারে কাজ করে আথিক সচ্ছলতার কারণে র্বতমানে অনেক মান্দি পরিবার সচ্ছল। মান্দিদের দারিদ্র বিমোচনে যারা পার্লারে কাজ করে তাদের ভূমিকা অনিস্বীকার্য।
পরিবারের সচছলতা:
মান্দিদের পরিবার এখন মানোন্নত ও সচছল। আগে দরিদ্রতার কারণে পরিবারে অশান্তি লেগে থাকত। অনেক পরিবার ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারত না। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ও মানোন্নয়নের জন্য বিউটি পার্লার কর্মীর গুরুত্বপূর্ণ।
জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন:
আগের তুলনায় মান্দিদের জীবন যাত্রার মানোন্নত হয়েছে। তারা সম্পূর্ণরূপে মৌল মানবিক চাহিদা পুরণে সমর্থ। তারা আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে চলছে।
আত্মকর্মসংস্থান:
মান্দি মেয়েরা পার্লারে কাজ শিখে অনেকে নিজে পার্লার দিয়েছে। নিজে বিউটি পার্লার দিয়ে নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে শিখছে। নিজে পার্লার দিয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছল হচ্ছে ও কর্মসংস্থান গড়ে তুলছে। নিজের পালারে আত্মকর্মসংস্থান হিসাবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে।
শিক্ষার হার বৃদ্ধি:
মান্দিদের শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যারা পার্লারে কাজ করছে তারা তাদের ছোট ভাই বোনদের লেখাপরা করতে সহায়তা করছে। অনেকে ছেলে মেরয়দের ভাল স্কুলে ভর্তি করাচ্ছে। মান্দিদের শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে যারা পার্লারে কাজ করে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
সংস্কৃতির স¤প্রসারণ:
পার্লারে কাজ করে মান্দিরা গোটা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করছে। যেহেতু বেশিরভাগ পার্লারে মান্দি মেয়রা কাজ করে সেহেতু তাদের সংস্কৃতি সর্ম্পকে স্থানীয় এবং বিদেশীরাও জানে। অনেক বিদেশীরা মান্দিদের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান ওয়ানগালাতে অংশগ্রহণ করে। তারা মান্দিদের সংস্কৃতি অন্যদের কাছে পৌচ্ছে দিচ্ছে। মান্দিদের সংস্কৃতি তারা অজান্তেই প্রচার করছে।
বিউটি পার্লার কর্মীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি:
প্রথমে যারা বিউটি পালারে কাজ করত তাদের প্রতি সাধাসণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নেতীবাচক মনোভাব ছিল। বিউটি পার্লারের চাকরিকে হেয় প্রতিপন্ন করত। এটাকে নিম্নমানের কাজ মনে করত। কিন্তু বর্তমানে বিউটি র্পালার কর্মীদের প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক। এখন বিউটি পার্লার মান্দিদের জনপ্রিয় চাকরি। এ চাকরিকে এখন সবাই র্মযাদার দৃষ্টিকে দেখে।
বিউটি পার্লারে চাকরির সমস্যাসমূহ:
বিউটি পার্লারে চাকরি সহজ এবং আরাম দায়ক হলেও পার্লার কর্মীরা বিভিন্ন নমস্যায় জর্জরিত। অনেকে সময়মত মাসিক বেতন পায় না । চাকরি পরির্বতনের ক্ষেত্রে মালিক পক্ষ সমস্যা সৃষ্টি করে, অনেকের মাসিক বেতন আটকিয়ে দেয় এবং হুমকি দেয়। মাতৃত্ব কালীন ছুটি দিতে চায় না। মাতৃত্ব কালীন ছুটি নিলেও তাদের জন্য মাতৃত্ব কালীন ছুটির বেতন দেওয়া হয় না। অনেক যারা ছোট ছোট পার্লারে কাজ করে আশাতীত ব্যাবহার করে। যারা সুনামধন্য পার্লারে চাকরি করে তাদের ক্ষেত্রে মাসিক বেতন, মাতৃত্ব কালীন ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি এবং আশাতীত ব্যাবহার প্রভৃতির সমস্যা দেখা যায় না। তবে তাদের মধ্যে নিয়ম কানুনের দিকে কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। সময়মত পার্লারে কাজ না করলে, অনুপস্থিত থাকলে এবং অতিরিক্ত ছুটি কাটালে তাদের মাসিক বেতন কাটা হয। যারা ছোট বিউটি পার্লার অর্থাৎ বাসাবাড়ী ও পার্লার এক সাথে তাদের পতিকূল পরিস্থিতির সম্মখীনে পড়তে হয়। তাদের বাড়ির কাজ করাসহ পালারের কাজ করতে হয়। অনেকে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়, আবার অনেকে চুরির দায়ে মিথ্যা মামলার পরিস্থিতির শিকার হতে হয়, অনেকের বেতন সময়মত দেয়না, পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক কম এবং অনেক জনকে পালার পরিবর্তন করতে চাইলে হুমকি দেয়।
নেতীবাচক দিক:
ঢাকা শহরে মান্দি মেয়েরা এখানে সেখানে কাজ বা চাকরি করছে। বিশেষভাবে বিউটি পার্লারে চাকরি করছে। যারা বিউিটি র্পালারে চাকরি করে তারা অনেকে অতিরঞ্জিত করে মেক আপ করে, অনেকে পশ্চিমা দেশের সচ্ছ পোশাক পড়ে এবং মাতৃতাšতৃক সমাজ ব্যা¯থা বলে নিরাপত্তাহীনভাবে চলাফেরা করে। এসবের কারণে বিভিন্ন সমস্যার সম্মূখীন হতে হয়। মান্দি মেয়েরা সহজ সরল বলে অনেকে প্রলোভনের সুযোগ নেয়। যেহেতু গারো মাতৃতাšতৃক সেহেতু মান্দি মেয়ে গারো সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির গৌরব। কিন্তু অনেক মান্দি মেয়েরা এ গৌরব ধরে রাখতে পারছে না। কেননা অনেক মান্দি মেয়েরা অন্য অমান্দি ¯ম্প্রদায়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে। মান্দি মেয়েদের অগারো স¤প্রদায়ের সাথে বিয়ে, গারো আদিবাসী স¤প্রদায়ের মাতৃতাšতৃক ব্যাবস্থা এবং সংস্কৃতির হুমকি স্বরুপ। পার্লারে চাকরি করে এমন অনেক মান্দি মেয়ে আছে যারা বিয়ে করেছে অখ্রীষ্টান বা মুসলিমকে। তাই মান্দি মেয়েদের নিজেদের সংস্কৃতির ও প্রতিকূল পরিস্থিতির সর্ম্পকে সচেতন থাকতে হবে।
পালার কর্মীদের সংক্ষিপ্ত জীবন সহভাগীতা:
রিনা মারাক ইউমেন বিউটি র্পালারে চাকরি করে। তার প্রথম বিউটি পার্লারে চাকরি জীবন শুরু হয় লুসি বিউটি পার্লারে। তিনি পার্লারে চাকরি করছেন ১৫ বছর ধরে। আপনার বিউটি পার্লারে চাকরির অভিজ্ঞতা বলবেন কি? উত্তরে তিনি বলেন,“ আমার বিউটি পালারে চাকরির অভিজ্ঞতা খুবই ভাল । আমি বিউটি পালারে চাকরি করে আমার পরিবার চালাতে পারছি একই সাথে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ বহন করছি। আমি সুখী বিউটি পার্লারে কাজ করে। আমি সিস্টার হতে চেয়েছিলাম কিন্তু সম্ভব হয়নি। তবে আমি অন্যভাবে সেবা কাজ করছি। এখন আমি কারিতাসের সেইফ সেন্টার প্রকল্পের পার্লার কর্মীদের প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছি। আমি এই কাজ করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।”
ব্লিস বিউটি পালরের একজন কর্মীর সাথে কথা বলছিলাম পার্লারে কাজ করে সর্ম্পকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,“ আমার কাছে পার্লারের কাজ আরামদায়ক এবং সহজ। আমি পার্লারে চাকরি করে আমার ভাই-বোন এবং এক ছেলে ও এক মেয়েকে লেখাপড়ার খরচ দিচ্ছি। আমি কিছু বন্ধকী জমিও কিনেছি। র্পালারে চাকরি করে বলেই আমার পরিবার এখন সচ্ছল। বেতন সর্ম্পকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,‘‘ আমি ব্লিস বিউটি পার্লারে ১৫ বছর কাজ করছি, এ ১৫ বছর অভিজ্ঞতায় মাসিক বেতন নিয়ে মালিকের সাথে কোন ঝামেলায় পড়েনি। মাসের বেতন মাসেই দিয়ে দেয়। আমি র্পালারে কাজ করে পরিবার নিয়ে সুখেই আছি।”
একজন সদ্য-মা বিইটিশিয়ানের সাথে কথা বলছিলাম বিউটি র্পালারের কাজে প্রতিকূল পরিস্থিতে পড়েছেন কিনা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন যে,‘ বিউটি পার্লারে কাজে ভিবিন্ন সমস্যা । বেতন ঠিক মত দিতে চায় না। মাতৃত্ব কালীন ছুটি দেওয়া হয় না । আনেক সময় কাজের ভুল হলে প্রহার করে। আমার চোখের সামনে একবার একমেয়েকে তাপ্পর দিয়েছিল । কিন্তু আমরা সবাই এর প্রতিবাদ করেছি । আমরা যারা পার্লারে কাজ করি সব বিউটিশিয়ান এক থাকল প্রতিকূলতার পরিস্থতি মোকাবেলা করতে সজজে পারা যায়।
আর একজন বিউটিশিয়ানের সাথে কথা বলছিলাম আপনার পার্লারের চাকরি কিভাবে শুরু জানতে চাইলে তিনি বলেন “ আমি হাতে কলমে বিউটি পার্লারের কাজ শিখেছি। বিউটি পালারের কাজ শিখার জন্য আমাকে অংক কষতে হয়েছে। অথাৎ কি পরিমাণ রং, পানি ও অনান্য রঙের সাথে মিশাতে হয় তার জন্য কিছু অংক শিখতে হয়। চুল কত ডীগ্রি এ্যাঙ্গেলে কাটতে হয়, কোন ফেসের জন্য কোন কাটিং দিতে হয়, শাড়ি কত ডীগ্রি এ্যাঙ্গেলে পড়াতে হয় ইত্যাদি জানতে হয়। বিউটি পালারে চাকরির জন্য শিক্ষাগতযোগ্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন,“ কাজের দক্ষতার উপর নির্ভর করে। তবে পার্লারে ম্যানাজার, হিসাব রক্ষক ও ব্যাবস্থাপনার কাজ করতে হলে কমপক্ষে এম এ পাস করতে হয়। ইংলিশ জানা থাকলে ভাল কেননা অনেক বিদেশি কাস্টমার আসে।”
বিবি মারাক নিজে বিউটি পার্লার দিয়েছেন। তার সাথে আলাপ করছিলাম বিউটি পার্লার সর্ম্পকে। তার নিজের বিউটি পালার দেওয়া কাহিনি তিনি বলছিলেন “আমি কোন বিউটি পার্লারে চাকরি করেনি। আমি নিজের আগ্রহে বিউটি পার্লার দিয়েছি। প্রথমে আমি একজন বিউটিশিয়ান রেখেছিলাম এবং তার কাছে কিছু কিছূ কাজ শিখেছি। আমি এখন সর্ম্পূণ কাজ শিখেছি। আমি নিজেই কাজ করি। তবে একজন সাহায্যকারী রেখেছি। আমি নিজে পার্লার দিয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারি। আমি সুখী এই জীবনে। একই সাথে আমি ডিগ্রী পাসর্কোস করছি। আমি আমার ছেলে-মেয়েকে লেখাপড়া করাছি।’’
মরজিনা মারাকের সাথে ফোনে কথা বলছিলাম তিনি মগবজারে একজন বিউটি পার্লার মালিকের সাথে শেয়ারে পার্লার দিয়েছেন। আপনি পার্লারে কাজ করতে গিয়ে কোন প্রতিকূলতার শিকার হয়েছেন কি? “আমার এখনো এমন সমস্যার সম্মূখীন হতে হয়নি। আমি পার্লারে নিরাপদে কাজ করছি। আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে পালারে কাজ করে ভালই আছি। পালারে চাকরি করে আমি পরিবার, সন্তান, স্বামী ও আত্মীয় স্বজন সবইকে নিয়ে ভালই আছি। আমি ভালই আছি পার্লারে চাকরি করে।” বলছিলেন মরজিনা।
উপসংহার:
বিউটি পার্লারে কাজ করে মান্দি মেয়েরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখছে। তাদের অর্থনৈতিক র্নিভরশীলতা হ্রাস পারচ্ছে। গারো মেয়েরা বিউটি র্পালারে কাজ করে মান্দি সমাজের উন্নয়নে প্রচুর অবদাদন রাখছে। তাই মান্দি ‘মিচিক পিসা’ ( কন্যা) তোমার দিকে তাকিয়ে আছে গোটা মান্দি সমাজ। তুমি পার সপ্ন দেখাতে, পার একটু সাহস দিতে সামনের দিকে এগোতে। হে কন্যা তুমি মান্দি সমাজের অহংকার, তুমিই স্তম্ভ । তুমি নিজেকে হারিয়ো না। বিউটি র্পালারের কাজ মর্যাদার কাজ ও এটি একটি র্আট।
বিউটি র্পালারে গারো আদিবাসী মেয়েদের সাধারণ জরিপ
কিছু প্রশ্ন
হ্যা এর উত্তর
না এর উত্তর
আপনি কি বৈষম্যের শিকার হয়েছেন?
০২ জন
২০ জন
মাসিক বেতন নিয়ে কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন?
০১ জন
২১ জন
শারিরীক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কি?
২২ জন
কোন হয়রানির শিকার হয়েছেন কি?
২২ জন
কোন অনৈতিক কাজের প্রলোভনে পরেছেন কি?
২১ জন
কোন হুমখির সম্মুখিন পড়েছেন কি?
০২ জন
২০ জন
অল্পকথায় উত্তর/ হ্যা বা না
১.আপনার বিউটি র্পালারে কাজের অভিজ্ঞতা কি খুবই ভাল বা আনন্দের?
সুমা সাংমা: আমার পার্লারের অভিজ্ঞতা ভাল। মিথিলা চিছাম: খুভ ভাল। চিত্রা মারাক:.... । লিনা মারাক: হ্যা খব আনন্দের। লেদুনী আজিম: খুব ভাল। বৃষ্টি ম্রং: হ্যা। চম্পা ম্রং: হ্যা। প্রাপ্তি নকরেক: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা । সন্ধা স্নাল: হ্যা। লিজা চিরান: হ্যা। লিনা দিও: হ্যা। সিমা চিসিম: হ্যা। সুরমা তজু: হ্যা। জিনিয়া রাংসা: আনন্দের। মহনী চিরান: ভাল। ইভা চিছাম: ভাল। মেহেদিশ ম্রং: ভাল। সুমা রিছিল: হ্যা। উজ্জ্বলা রাংসা: ভাল।
২.আপনি কি নিজে এই চাকরি বেচে নিয়েছেন নাকি বাবা-মার ইচ্ছায়?
সুমা সাংমা: নিজের ইচ্ছাই। মিথিলা চিছাম: নিজের ইচ্ছাই। পরিবারের আর্থিক অস্বচছলতার জন্য।
চিত্রা মারাক: নিজের ইচ্ছাই। লিনা মারাক: নিজের ইচ্ছাই।লেদুনী আজিম: নিজের ইচ্ছাই। বৃষ্টি ম্রং: নিজের ইচ্ছাই। চম্পা ম্রং: নিজের ইচ্ছাই। । প্রাপ্তি নকরেক: নিজে। নামবিহীন: নিজে। নামবিহীন: নিজে। সন্ধা স্নাল: নিজের ইচ্ছাই। মিলিতা চিরান: নিজের ইচ্ছাই। চিত্রা পাথাং: হ্যা। লিজা চিরান: নিজে। লিনা দিও: নিজ ইচ্ছাই। সিমা চিসিম: নিজের ইচ্ছায়। সুরমা তজু: নিজে। জিনিয়া রাংসা: নিজে। মহনী চিরান: নিজেই। ইভা চিছাম:ইচ্ছাই।মেহেদিশ ম্রং: ইচ্ছ্য়া। সুমা রিছিল: নিজে। উজ্জ্বলা রাংসা: ইচ্ছাই।
৩.আপনার জীবনের লক্ষ্য ি ক ছিল?
সুমা সাংমা: আমার জীবনের লক্ষ্য ছিল সেবিকা হওয়ার।মিথিলা চিছাম: কো লক্ষ্য ছিল না।চিত্রা মারাক: সিস্টার। । লিনা মারাক: ...। লেদুনী আজিম: পার্লারে চাকরি করা এবং টাকা উর্পাজন করা। বৃষ্টি ম্রং: আমার জীবনে লক্ষ্য ছিল পরিবার যেন আমার দ্বারা সাহায্য পায় এবং ভাই বোন লেখা পড়া করার সুযোগ পায়। চম্পা ম্রং: ....। । প্রাপ্তি নকরেক: সিস্টার হওয়ার ইচছা ছিল। নামবিহীন: পরিবারকে উন্নতির লক্ষ্যে পৌছানো। নামবিহীন: ভাই-বোনকে মানুষ করা। সন্ধা স্নাল:একজন পুলিশ অফিসার। মিলিতা চিরান: একজন নার্সিং হওয়ার। চিত্রা পাথাং: নিজেই। লিজা চিরান: একজন ভাল ডাক্তার। লিনা দিও: শিক্ষিকা হওয়ার। সিমা চিসিম: একজন সমাজসেবী হওয়ার। সুরমা তজু: শিক্ষিা হওয়ার। জিনিয়া রাংসা: নার্সিং হওয়ার। মহনী চিরান: ভাল শিক্ষিকা হওয়ার। ইভা চিছাম:ভাল নার্সিং হওয়ার।মেহেদিশ ম্রং:শিক্ষিকা হওয়ার। সুমা রিছিল: শিক্ষক। উজ্জ্বলা রাংসা: নার্সিং হওয়ার।
৪.আপনার এই চাকরির দ্বারা কি আপনার পরিবার উপকৃত?
সুমা সাংমা: অবশ্যই । মিথিলা চিছাম: বর্তমানে মোটামুটি উপকৃত। চিত্রা মারাক: হ্যা।। লিনা মারাক: হ্যা।লেদুনী আজিম: অবশ্যই উপকৃত। বৃষ্টি ম্রং: হ্যা। চম্পা ম্রং: হ্যা। । প্রাপ্তি নকরেক: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা। সন্ধা স্নাল: হ্যা উপকৃত। মিলিতা চিরান: হ্যা উপকৃত। চিত্রা পাথাং: একজন ভাল নার্সিং হওয়ার। লিজা চিরান: হ্যা উপকৃত। লিনা দিও: উপকৃত। সিমা চিসিম: হ্যা উপকৃত। সুরমা তজু: হ্যা। জিনিয়া রাংসা:উপকৃত। মহনী চিরান:উপকৃত। ইভা চিছাম: হ্যা।মেহেদিশ ম্রং: উপকৃত। সুমা রিছিল: উপকৃত। উজ্জ্বলা রাংসা: হ্যা উপকৃত।
৫.এই চাকরির জন্য আপনি কি কোন তাচ্ছিল্যের সম্মুখিনে পড়েছেন?
সুমা সাংমা: হ্যা । আমি তাচ্ছিল্যের সম্মুখে পড়িছিলাম।মিথিলা চিছাম: না। চিত্রা মারাক: হ্যা। । লিনা মারাক: না। লেদুনী আজিম: কখনো না। বৃষ্টি ম্রং: না। চম্পা ম্রং: না।। প্রাপ্তি নকরেক: ...। নামবিহীন: হ্যা। নামবিহীন: না। সন্ধা স্নাল: না। মিলিতা চিরান: না। চিত্রা পাথাং: না। লিজা চিরান: না। লিনা দিও: না। সিমা চিসিম: হ্যা। সুরমা তজু: না। জিনিয়া রাংসা: না। মহনী চিরান: না। ইভা চিছাম:না।মেহেদিশ ম্রং:না। উজ্জ্বলা রাংসা: না।
৬.আপনি কি এই চাকরিতে সুখী?
সুমা সাংমা: আমি সুখী না, কারণ আমি আমার লক্ষ্যে পৌছতে পারে নি।মিথিলা চিছাম: হ্যা সুখী। চিত্রা মারাক: না, আমি সুখী না। । লিনা মারাক: হ্যা । লেদুনী আজিম: হ্যা আমি অনেক সুখী। বৃষ্টি ম্রং: হ্যা । চম্পা ম্রং: হ্যা। চম্পা ম্রং: না। । প্রাপ্তি নকরেক: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা। সন্ধা স্নাল: হ্যা আমি সুখী। মিলিতা চিরান: হ্যা সুখী। চিত্রা পাথাং: হ্যা সুখী। লিজা চিরান: হ্যা সখী। লিনা দিও: সুখী। সিমা চিসিম: হ্যা। সুরমা তজু: হ্যা। জিনিয়া রাংসা: সুখী। মহনী চিরান: সুখী। ইভা চিছাম: সুখী।মেহেদিশ ম্রং: সুখী। সুমা রিছিল: সুখী। উজ্জ্বলা রাংসা: সুখী।
৭.আপনি কি এই চাকরির জন্য হীনমন্যতায় ভোগেন?
সুমা সাংমা: হ্যা, আমি হীনমন্যতায় পড়ি। মিথিলা চিছাম: মাঝে মাঝে। চিত্রা মারাক: চিত্রা মারাক: হ্যা। লিনা মারাক: মাঝে মাঝে। লেদুনী আজিম: না। বৃষ্টি ম্রং: না। । প্রাপ্তি নকরেক: না। নামবিহীন: হ্যা। নামবিহীন: না। সন্ধা স্নাল: না। মিলিতা চিরান: না। চিত্রা পাথাং: না। লিজা চিরান: না। লিনা দিও: না। সিমা চিসিম: না। সুরমা তজু: না। জিনিয়া রাংসা: না। মহনী চিরান: না। ইভা চিছাম: না।মেহেদিশ ম্রং: না। সুমা রিছিল: না। উজ্জ্বলা রাংসা:না।
৮.আপনি কি বিউটিশিয়ান হিসাবে গর্ববোধ করেন?
সুমা সাংমা: না, আমি করি না।মিথিলা চিছাম: হ্যা । চিত্রা মারাক: না। । লিনা মারাক: একটু একটু। লেদুনী আজিম: হ্যা আমি গর্ববোধ করি। বৃষ্টি ম্রং: হ্যা। চম্পা ম্রং: হ্যা। । প্রাপ্তি নকরেক: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা। নামবিহীন: হ্যা করি। সন্ধা স্নাল: না। মিলিতা চিরান: না। চিত্রা পাথাং: না। লিজা চিরান: না। লিনা দিও: না। সিমা চিসিম:না। সুরমা তজু: হ্যা। জিনিয়া রাংসা: না। মহনী চিরান: না। ইভা চিছাম: না।মেহেদিশ ম্রং:না। সুমা রিছিল: না। উজ্জ্বলা রাংসা: না।
৯. আপনি কি মনে করেন এই চাকরি করেই অনেক মান্দি পরিবার বর্তমানে সাবলম্বি এবং আনেকে পরিবারের ছোট ভাই বা বোনকে লেখাপড়ায় সাহায্য করছে?
সুমা সাংমা:.হ্যা, মনে করি, এটা সত্যি কথা । মিথিলা চিছাম:হ্যা আমি মনে করি এবং জানামতে তাই । চিত্রা মারাক: হ্যা। । লিনা মারাক: হ্যা আমি এটাকে সত্যি বলে মনে করি। লেদুনী আজিম: হ্যা। বৃষ্টি ম্রং: হ্যা এই চাকরির জন্য অনেক মান্দি নিজে এবং নিজের পরিবার অনেকাংশে সচ্ছল। চম্পা ম্রং: হ্য।। প্রাপ্তি নকরেক: হ্যা এটাই ঠিক। নামবিহীন: হ্যা সত্য। নামবিহীন: হ্যা। সন্ধা স্নাল: হ্যা। মিলিতা চিরান: হ্যা। চিত্রা পাথাং: হ্যা।লিজা চিরান: হ্যা। লিনা দিও: হ্যা। সিমা চিসিম: হ্যা। সুরমা তজু: হ্যা। জিনিয়া রাংসা: হ্যা।মহনী চিরান: হ্যা।মেহেদিশ ম্রং: হ্যা। সুমা রিছিল: হ্যা।উজ্জ্বলা রাংসা: হ্যা।
কৃতজ্ঞতা স্বীকার:
সি. মানখিন, উত্তমা এস.এস.এম।
পাথাং, গৌরব সি.এস.সি, বনানী ৪র্থ বর্ষ।
ম্রং ক্যাথরিন রিনা, বিউটিশিয়ান।
নিদ্রা মারাক ও কর্ণলতা মারাক।