সাধু ইউজিন ডি মাজেনড এর জীবনি

 

                                                                    সাধু ইউজিন ডি’ মাজেনড

মিশনারী অবলেটস অফ মেরী হম্মাকুলেট সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সাধু ইউজিন ডি মাজেনড। তাঁর পুরো নাম চার্লস ইউজিন ডি মাজেনড।  তিনি জন্মগ্রহণ করেন ফ্রান্সের মার্সেলস নগরীর এক্র এন প্রোভান্সের এক অভিজাত সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৭৮২ খ্রি: ১ লা আগস্ট। ইউজিনের শৈশব জীবনটা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। তাঁকে প্রতিকুল পরিবেশে বড় হতে হয়েছিল। তাঁর বাবা চার্লস আন্টন ডি মাজেনড ছিলেন এক্র এন প্রভা¯েœর বাণিজ্য দপ্তরের হিসাব বিভাগীয় প্রধান এবং পার্লামেন্টের সভাপতি। তাঁর মা ছিলেন দয়ালু ও ধর্মপরায়ণ নারী। তিন ভাই বোনের মধ্যে সাধু ইউজিন ছিলেন পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান।


ইউজিন সমভ্রান্ত ও ধনী পরিবারের সন্তান হলেও তিনি ছিলেন ন¤্র বিনয়ী এবং ধর্ম পরায়ণ। দরিদ্র মানুষের প্রতি তাঁর বিশেষ দয়া ছিল। তিনি সর্বদা দরিদ্র মানুষের পাশে ছিলেন এবং তাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। ইউজিন একদিন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন তখন জির্ন ছেরা পোষাক পরিহিত একজন কয়লা শ্রমিকের সাথে তাঁর দেখা হয়েছিল। তার পোষাক দেখে ইউজিনের মন বিগলিত হয়ে উঠে। তিনি নিজের পোষাক কয়লা শ্রমিককে পরিয়ে দেন এবং তার জির্ন ময়লা পোষাক পরে নেন। তাঁর এ ছেলে মানুষী কান্ড দেখে তাঁর প্রতি তার মা খুব রেগে গিয়েছিল। তিনি শান্তভাবে মাকে উত্তর দিয়েছিল মা আমি কয়াল শ্রমিদের প্রেসিডেন্ট হব। এ থেকে বঝা যায় যে ইউজিনের হৃদয় দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের প্রতি অকৃতিম ভালবাসা ছিল।

নির্বাসিত কিশোর ইউজিন

সাধু ইউজিন যখন ৮ বছর বয়স তখন ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়। যেহেতু সাধু ইউজিন সম্ভান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন তাই সাধারণ জনগণের ক্রোধ তাদের উপর ছিল। নিজের অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে সাধু ইউজিনের পরিবারকে ইতালির বিভিন্ন শহর নিস, টুরিন, ভেনিস, নেপলস এবং পালেরমো শহরে  নির্বাসনে যেতে হয়েছিল। নির্বাসন জীবনে ইউজিনের শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পরে।  দীর্ঘ এগারটি বছর তাঁকে নির্বাসনে জীবন কাটাতে হয়েছিল। ভেনিসে থাকাকালীন কিশোর ইউজিন জন বার্থেল্লো জীনেথী নামক এক ধার্মিক পুরোহিতের সংস্পর্শে আসেন। তাঁর সংস্পর্শেই ইউজিন ফিরে পান এক নতুন জীবনের সন্ধান। এ ধর্মপ্রাণ পুরোহিত ইউজিনের জন্য মঠাশ্রমের নিয়মানুযায় কতগুলো সুন্দর ও সুষ্ঠ নিয়ম তৈরী করে দিয়েছিলেন, যা তাঁর নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবনের উন্নয়ন এবং ধর্ম বিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য খুবই সহায়ক ছিল। নির্বাসনে তাঁকে বিভিন্ন অভাব অনটন এবং প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। আধ্যাত্মিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক নিরাপত্তার সংকটে সম্মুখীন হতে হয়েছিল। জীবনের শত সমস্যার মধ্যেও তিনি ঈশ্বরের কৃপা ও ঐশ আহŸান আবিষ্কার করতে পেরেছিলেন।

ইউজিনের ঐশ আহŸান

ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব শান্ত হলে ১৮০২ খ্রি: ২৪ অক্টোবর সাধু ইউজিন নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে আসেন। এই সময় তিনি মনে মনে স্থির করেছিলেন যে, একজন ধনী ঘরের মেয়েকে বিয়ে করে সংসারি হবেন। কিন্তু একটি ঘটনা তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সেদিন ছিল ১৮০৭ খ্রি: ২৭ মার্চ পূর্ণ শুক্রবার যখন তিনি খ্রিস্টের ক্রুশীয় মৃত্যুর কথা গভীরভাবে ধ্যান করছিলেন তখন তিনি অর্ন্তদৃষ্টিতে প্রত্যক্ষ করলেন স্বয়ং যিশু তাঁর বেদনারময় অবস্থায় ক্রুশ হতে নেমে তাঁর দিকে এগিয়ে আসছেন। এই ক্রুশীয় করুণ অভিজ্ঞতা এবং দৃশ ইউজিনের জীবনে আমূল পরিবর্তন এনে দেন। এ দৃশ্য অন্তরে উপলব্ধি করে তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, খ্রিস্টের আদর্শে সেবক হয়ে মঙ্গলসমাচর প্রচারের মাধ্যমে খ্রিস্টের করুণ মৃত্যুকে সার্থক করে তুলবেন। তিনি তাঁর প্রতিজ্ঞায় দৃঢ় ছিলেন এবং খ্রিস্টের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন।

ইউজিনের সেমিনারিতে প্রবেশ

১৮০২ খ্রি: ১২ অক্টোবর তিনি সাধু সুলপিসের সেমীনারীতে যোগ দেন। সেমিনারীতে প্রবেশের পর নানা বাধা-বিঘœ পেরিয়ে তিনি তাঁর সিন্ধান্তে অটল থেকে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। তিনি সেমিনারীতে প্রয়োজনীয় পড়াশুনা, প্রার্থনা এবং ত্যাগস্বীকারের মাধ্যেমে নিজেকে যাজক হওয়ার জন্য প্রস্তুত করতে থাকেন।  শত কষ্ট বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে ১৮১১ খ্রি: ঐশ্বতত্ত¡ ও দর্শনশাস্ত্র পড়াশোনা শেষ করে ২১ ডিসেম্বর ২৯ বছর বয়সে এ্যামিসের ক্যাথিড্রালে পুণ্য যাজক সংস্কারে তিনি যাজক পদে অভিষিক্ত হন।

পৌরহিত জীবন

পুরোতিহ হিসাবে ইউজিন ছিলেন একজন আদর্শবান  এবং একজন সুদক্ষ প্রচারক।  তিনি কোন রকম প্রস্তুতি ছাড়াই অনর্গল বক্তৃতা দিতে পারতেন।  যাজক হওয়ার পর তিনি সিন্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, তিনি বাণী প্রচার করবেন তাদের মাঝেই যারা আধ্যাত্মিক ও পার্থিব দিক থেকে গরীব। তাঁর যাজকীয় জীবনের লক্ষ্য ছিল সমাজের অবহেলিত, নেপীড়িত ও গরীব ভাই-বোনদের কাছে খ্রিস্টের মঙ্গল বাণী প্রচার করা। যাজক হিসাতে তিনি বেকার যুবক ও শিক্ষাহীন যুবক যারা সঠিক নেতৃত্বের অভাবে বিপদ গামি হচ্ছিল তাদেরকে একত্র করে এবং একটি যুব প্রতিষ্ঠা করে তাদের মাঝে কাজ শুরু করেন। তৎকালীন সময়ে ফ্রান্সে ধর্মীয় ও নৈতিক অবস্থা অধপতনের দিকে যাচ্ছিন। অনাচার, পাপাচার এবং ব্যাভিচার সমাজে ছড়িয়ে পড়ছিল। ইউজিন তাঁর যুব সংঘের সদস্যদের নিয়ে তাদের মাজে নৈতিক, ধর্মীয়  এবং সামাজিক শিক্ষা দিতে এগিয়ে আসেন এবং প্রতিটি পরিবারে প্রচার করতে লাগলেন মঙ্গলবাণী প্রচার। এতে ফ্রান্সবাসীগণ আধ্যাত্মিক, নৈতিক এবং সামাজিক মূল্যবোধ ফিরে পেতে লাগল। যুব সংঘের সদস্যদের জন্য তিনি নিয়মকানুন তৈরি করেন। প্রতিদিন উপাসনায় যোগদান, পনের মিনিট  আধ্যাত্মিক পাঠ, পবিত্র আরাধ্য সংস্কারের সামনে প্রার্থনা এবং জপমালা প্রার্থনা ও প্রতি দু সপ্তাহে পাপস্বীকার করার নিয়ম প্রচলন করেন। তাছাড়াও তিনি যারা সমাজে অবহেলিত এবং মাছ বিক্রেতা সমুদ্র সৈকতে, চেমনি পরিষ্কারক শ্রমিকদের কাছে তিনি বাণী প্রচার করেছিলেন।

সম্প্রদায় গঠন

সাধু ইউজিন আত্মিক প্রেরণায় ও মÐলী এবং জনগণের করুণ অবস্থা দেখে একটি ধর্ম সংয় প্রতিষ্ঠা করতে উদ্বুদ্ধ হন।১৮১৬ খ্রি: ২৫ জানুয়াতি তিনি “ ঝড়পরবঃু ড়ভ গরংংরড়হধৎু চৎড়ারহপব”  নামক সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন যা ১৮২৩ খ্রি “ঙনষধঃবং ড়ভ ঝধরহঃ ঈযধৎষংব” নাম ধারণ করেন। ফাদার টামপিয়ারের সহযোগিতায় এই ধর্মীয় সংঘ প্রসার ও সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই নবগঠিত সম্প্রদায়ের প্রথমত দুঠি উদ্দেশ্য ছিল সমাজের অবহেলিত অর্ন্তভুক্ত সদস্যদের জন্য এক সাধারণ ব্যবস্থা করা এবং নিজ দেশে প্রয়োজনীয় এলাকা সমূহে খ্রিস্টের বাণী প্রচার করা বিশেষ করে এক্্র এন প্রভান্সে। সাধু ইউজিন এবং তাঁর সহযোগীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে এই সংঘ অতি দ্রুত পরিচিত লাভ করতে থাকে। অন্যদিকে আনেকে এবং কয়েকজন বিশপ তাঁর সংঘ সংগ্রামী মিশনারী বলে উপহাস করত। তাঁর সহকর্মী আনেক যাজকগণ তাঁর বিরোধিতা করেন এবং আনেকেই সংঘ ত্যাগ করে চলে যান।  সংকটের সময় তিনি পবত্র সংস্কারের সামনে নিরবে প্রার্থনা করতেন। এই প্রতিকূল পরিবেশে পবিত্র সাক্রামেন্ট তাঁর একমাত্র আশ্রয়স্থল ছিল। সংকটের সময় ইউজিনকে সর্বদা সহযোগীতা করেছেন ফাদার টামপাযার। সম্প্রদায়কে দেশে এবং মÐলীর স্বীকৃতি লাভের জন্য তারা সংঘের নিয়ম-কানুন তৈরী করেন। সংঘের নিয়ম কানুন যেন স্বীকৃতি এবং আনমোদনের জন্য তারা পোপের নিকট যান।  এ সংঘের অনুমোদনের ব্যাপারে ফ্রান্সের তিনজন বিশপের আপত্তি ছিল। আপত্তি থাকা সত্তেও ১৮২৬ খ্রি: ১৭ ফেব্রুয়ারি পো দ্বাদশ লিও এই সংঘের অনুমোদন দেন এবং এর নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করেন যা বর্তমানে “ ঙনষধঃবং ড়ভ গধৎু ওসসধপঁষধঃব” সংঘ হিসাবে পরিচিত।

বিশপ মনোনয়ন

১৮৩২ খ্রি: ১লা অক্টোবর মাসে ফাদার ইউজিন আকনিয়ার সহকারী বিশপ মনোনীত হন। অক্টোবর মাসে ১৪ তারিখে রোমে সিলভেসট্রো কুইরিনালের গির্জায় তাকে বিশপ হিসাবে অভিষিক্ত করা হয়। তাঁকে যখন বিশপ পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল তখন তাঁর বয়স ৫৫। বিশপ হয়ে তিনি জগণের একজন হয়ে পড়ের। গরীব দুঃখীদের জন্য ছিল তাঁর গভীর ভালবাসা। সকল শ্রেণীর মানুষ তাঁর কাছে আসত। বিশপের কাছে আসলে তারা মনে করত নিজের বাড়ীতে এসে বসে আছে। বিশপ ইউজিন জীবত থাকাকালীন তাঁর সংঘের ফাদারদের ১৮৪১ খ্রি: হতে অবলেট ফাদারগণ ফ্রান্সের বাইরে প্রাচার কাজ শুরু করেন। তাঁর বেচে থাকাকালীন অবরেট ফাদারগণ এশিয়ার শ্রীলংকা, ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশের দূগর্ম অঞ্চলে বাণী প্রচার করেন।

ইউজিনের মৃত্যু

সাধু ইউজিন খুবই সাধারণ জীবন যাপন করেছেন।  তিনি বালিশ হিসাবে একটা কাঠ ব্যবহার করতেন। মৃত্যু শয্যায় তিনি সাধারণভাবে অনান্য ফাদারদের মতই থাকতে। তিনি মৃত্য পর্যন্ত খ্রিস্টের সেবা করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুর শেষ বাক্য ছিল চ্যারিটি, চ্যারিটি, চ্যারিটি,  প্রেম, প্রেম প্রেম) এই খ্রিস্টিয় প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে অবলেট ফাদারগণ সারা বিশ্বে কাজ করে যাচ্ছেন। অবশেষে অসুস্থ বিশপ ইউজিন একটানা ৩০ ঘন্টা শারীরিক যন্ত্রণাভোক করে ১৮৬১ খ্রি: ২১ মে রোজ মঙ্গলবার ৭৮ বছর বয়সে প্রাণ ত্যাগ করেন। সাধু ইউজিনের মৃত্যুর সময় তাঁর সংঘের সদস্য সংখ্যা ৫০০ জনে দাঁড়িয়েছিল।

ধন্য ও সাধু শ্রেণীভুক্তকরণ

বিশপ ইউজিন ডি মাজেনডকে পোপ ৬ষ্ঠ পল ধন্য শ্রেণীভুক্ত করেন ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে। মÐলীতে ধন্য ও সাধু শ্রেণীভুক্তকরনের জন্য মÐলীর বিভিন্ন শর্তাবলী আছে, তার মধ্যে একটি অলৌকিক কাজ। বিশপ ইউজিনের কাছে প্রার্থনা করে অনেকেই প্রার্থনার ফল পেয়েছেন। উত্তর আমেরিকার একজন বালক ক্ষয়রোগে ভোগছিলন। তার দেহের রক্ত দূষিত হয়ে গিয়েছিল। তাকে স্থানীয় মিশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় ছিল না।  নিরুপায় হয়ে মিশন হাসপাতালের কর্মীরা ইউজিন ডি মাজেনডের কাছে প্রার্থনা করেন। ছেলেটি তৎক্ষনাত অলৌকিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ্য হয়ে উঠে। ছেলেটির আরোগ্য লাভের একটি অলৌকিক ঘটনা। আর একটি ঘটনা কানাডার অটোয়ায় একটি স্থানে, দুতলা বাড়ীর বারান্দা থেকে পড়ে একটি শিশু গুরুত্বর আহত হন এবং তার চোখ আন্ধ হয়ে যায়। চিকিৎসকের শত চেষ্টার কোন লাভ হয়নি। প্রাশ্চিতকালে শিশটির মা ধন্য কুমারি মারিয়ার নামে উৎসর্গকৃত তীর্থ স্থানে র্তীথ করতে যান এবং র্তীথে তিনি বিশপ ইউজিনের নিকট নবাহ প্রার্থনা করেন। নবাহ প্রার্থনার সশয় দ্বিতীয় দিনে ৩টার সময় অলৌকিকভাবে মূহুর্তের মধ্যে শিশুটির দুচোখ ভাল হয়ে যায়। এটি বিশপ ইউজিনের কাছে প্রার্থনা করার ফল এবং অলৌকিক ঘটনা। ১৯৯৫ খ্রি: ৩ ডিসেম্বর, সাধু পোপ দ্বিতীয় জন পল ধন্য ইউজিন ডি’ মাজেনডকে মÐলীতে সাধু শ্রেণীভুক্ত করেন।

বাংলাদেশে অবলেট ফাদারগণ

বাংলাদেশে অবলেট ফাদারদের আগমন ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে। অবলেট ফাদারগণ বাংলাদেশে প্রথমত সেমিনারীর পরিচালক এবং অধ্যাপনা ও বিভিন্ন পালকীয় কাছে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।  মÐলীর সেবার্থে তারা সিলেটের দূর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল বেচে নেন বাণী প্রচারের জন্য। অবলেট ফাদারগণ সিলেটের অভাবী দঃখী মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন এবং খ্রিস্টের বাণী প্রচার করে যাচ্ছেন। বর্তমানে অবলেট ফাদারগণ সিলেটের ধর্মপ্রদেশের চারটি ধর্মপল্লীতে, চিটাগং ধর্মপ্রদেশে দুইটি ধর্মপল্লীতে ও রাজশাহী ধর্মপ্রদেশে দুইটি ধর্ম পল্লীতে এবং ঢাকা ধর্মপ্রদেশে ডি মাজেনড সেন্টার, নয়ানগরে খ্রিস্টভক্তদের সেবা ও শিক্ষার কাজে নিয়োজিত আছেন। বর্তমানে অবলেট ফাদার বাংলাদেশে ৩১ জন আছেন। সীমিত সংখ্যার মধ্যেও তারা স্থানীয় মÐলী এবং সর্বজনীন মÐলীর সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

Culture

Parable of the Forgiving Father

Christianity in Garo Culture

Works of Mercy

MESSAGE OF HIS HOLINESS POPE FRANCIS FOR THE WORLD DAY OF MIGRANTS AND REFUGEES (2014)